একজন ইতালিয়ান জিম্মিকে মুক্ত করে দিল মাওবাদীরা

মার্চ 26, 2012
A বড় | ছোট | রিসেট <span class="translation_missing">bn, articles, print</span> মন্তব্য পোস্ট করুন

ভুবনেশ্বর, ভারত - রবিবার (২৫ মার্চ) মাওবাদী গেরিলারা ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ উড়িষ্যায় বেড়াতে আসার পর অপহৃত দুই জন ইতালীয় নাগরিকের মধ্যে একজনকে ছেড়ে দিয়েছে। খবরঃ এএফপি।

এএফপি জানায়, রোম থেকে আসা ৬১ বছর বয়স্ক ডাক্তার ক্লদিয় কলাঞ্জেলোকে এনডিটিভির সাংবাদিকের কাছে মুক্ত করে দেয়া হয়। এনডিটিভির রিপোর্টার ১৬ ঘন্টার প্রচেষ্টায় মাওবাদী গেরিলা কমান্ডার সব্যসাচী পান্ডের কাছ থেকে প্রদেশের রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত কানধামাল জেলায় তার হস্তান্তরের আয়োজন করতে সক্ষম হয়।

উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নাভিন পাতনায়াকে রাজ্যসভায় বলেন, অপহৃত অপর ইতালিয়ান পেশাবিদ ভ্রমণ গাইড, ৫৪ বছর বয়সী পাওলো বুসস্কোর মুক্তির জন্য আলোচনা চলছে।

দুজনকে ১৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। বিদ্রোহীদের দ্বারা এটা প্রথমবারের মত কোন বিদেশী নাগরিকের অপহরণের ঘটনা।

ইতালিয়ান নাগরিকের মুক্তির জন্য বিদ্রোহীরা বেশ কয়েকটি দাবী জানিয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যটক ভ্রমন নিষিদ্ধ করা, সরকারের গেরিলা বিরোধী অভিযানের পরিসমাপ্তি এবং জেলে থাকা মাওবাদী নেতাদের মুক্তিদান।

কলাঞ্জেলোর মুক্তি লাভ করতে কোন দাবি মেনে নেয়া হয়েছে কিনা তা সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট করে জানা যায় নি।

আপনি এই আর্টিকেল সম্পর্কে কী ভাবছেন? (সর্বোচ্চ ভোটঃ 0)

0 অপছন্দ

মন্তব্য পোস্ট করুন (মন্তব্য দেয়া সম্পর্কিত নীতিমালা)* আবশ্যক ঘরগুলো নির্দেশ করছে

ভোট

বিশিষ্ট আলেম মাওলানা ওয়াহিদউদ্দীন খানের মতে, “ইসলামে চরমপন্থা অনুমোদনযোগ্য নয়”৷ আপনার মতে, মুসলমান আলেমরা কি বিশ্বাসীদেরকে ইসলামি চিন্তা-ধারনার সত্যিকারের প্রকৃতি সম্পর্কে শিক্ষিত করে তোলার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা নিয়েছেন?

ফলাফল দেখুন

ছবির মেলা

এখানে, শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রী রিশাদ বাথিউদিন (মাঝে) এবং ঐতিহ্যবাহী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন মন্ত্রী ডগলাস দেভেন্দ্র (ডানে) ১৮ই জানুয়ারি, ২০১৩ সালের জাফনা আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন, যার উদ্দেশ্য হল, অতীতের এই যুদ্ধ ক্ষেত্র এলাকার অর্থনীতির পুনর্জন্মে আরো বেশি বেশি শক্তি দেয়া।[ছবিঃ নিলুপুল পেরেরা/খবর]

নতুন অবকাঠামো প্রকল্প শ্রীলংকার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছে

২০০৯ সালের গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, শ্রীলংকা এবং অন্যান্য রাষ্ট্র দেশের অর্থনীতি এবং অবকাঠামো মেরামত করার জন্য প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগ করছে। ২০১১ এবং ২০১২ সালে, শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।