খবর সাউথ এশিয়ার মন্তব্য প্রকাশের নীতিমালা

১। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com) এর উপর মন্তব্য আহবানের উদ্দেশ্য হল দক্ষিন এশিয়ার পাঠক এবং এ ওয়েবসাইটটি যেসব দেশের খবর পরিবেশন করে অথবা যেসব দেশের সাথে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট অভিবাসীদের সাথে সম্পর্কিত , তাদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com)-এর নিবন্ধ ও সংবাদগুলির উপর মন্তব্য আহবানের উদ্দেশ্য হল উভয় পক্ষের মতামত প্রকাশ করা এবং সব পাঠকদের দেখার সুবিধার জন্য মার্জিত ও স্বাধীনভাবে সম-সাময়িক বিষয়গুলির উপর মুক্ত আলোচনার ব্যবস্থা করা ।

২। এটি একটি যুক্তি-সঙ্গতভাবে নিয়ন্ত্রিত উন্মুক্ত মঞ্চ। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com) মন্তব্যগুলি নিরীক্ষণ করবে এবং কোন মন্তব্য অসঙ্গত মনে হলে সেগুলি মুছে ফেলা, সম্পাদনা করা অথবা পরিবর্তন করার সব ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে।

৩। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com) কর্তৃক গৃহীত সমস্ত মন্তব্যই প্রকাশ করার ইচ্ছা পোষণ করে যদিনা লেখক পূর্বেই ভিন্ন ইচ্ছা ব্যক্ত করে।

৪। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com)বিষয়বস্তু, স্বচ্ছতা এবং দৈর্ঘের কথা মাথায় রেখে সব মন্তব্যই সম্পাদনা করার সর্বময় ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম(khabarsouthasia.com)-এ প্রকাশিত নিবন্ধ ও সংবাদগুলির উপর করা মন্তব্যগুলি বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।বিষয়বস্তুর বাইরের মন্তব্য পোস্ট বা প্রকাশ করা হবেনা। নিবন্ধ অথবা সংবাদের উপর করা পাঠকের পছন্দের-অপছন্দের ছোট মন্তব্য প্রকাশ হবে কি হবেনা তা নির্ভর করবে সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com)-এর উপর।

৫। নিবন্ধ অথবা সংবাদের বিষয়ের উপর করা সামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য মন্তব্যের স্থান সংরক্ষিত রয়েছে। আপনাদের নিজের অথবা অন্যের সংবাদ-নিবন্ধসহ আয়তনে বড় লেখাগুলি পুনরায় পাঠানোর প্রয়োজন নেই। আপনাদের অনুরোধের ভিত্তিতে আমরা একটি মন্তব্য-সহ তাদের কাছে একটি সংযুক্তি বা লিঙ্ক পোস্ট করে দেবো ।

৬। অবমাননাকর, আপত্তিকর, অশালীন বা জাতি-বিদ্বেষী, ইত্যাদি উপাদান সম্বলিত মন্তব্যগুলি পোস্ট বা প্রকাশ করা হবেনা। গালাগালি, ব্যক্তিগত আক্রমন, বর্ণবাদী মন্তব্য অথবা কোন মন্তব্যকারীর পক্ষ থেকে করা কোন ধরণের অসম্মানজনক কোন মন্তব্য প্রকাশ করা হবেনা।

৭। নাম-পরিচয় গোপনকারীর মন্তব্যগুলি প্রকাশের ক্ষেত্রে একই ছদ্ম-নাম ব্যবহার করতে হবে যাতে পাঠক তাদের দেয়া মন্তব্যগুলি দেখে বুঝতে পারে যে সেগুলি একজন ব্যক্তির কাছ থেকেই আসছে। তা যদি তারা না করে তবে, তাদের জন্য সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত আইডি বা সনাক্তকরণ-সংখ্যা আরোপ করা হবে।

৮। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com)-এ প্রকাশের জন্য মন্তব্য পাঠাতে হলে এই মন্তব্য নীতিমালায় দেয়া সব চুক্তির শর্ত গুলি জানতে ও মানতে হবে। এই নীতিমালা যে কোন সময় কোন রকম ঘোষনা ছাড়াই আংশিক অথবা সম্পূর্ণটাই সংশোধন করা হতে পারে ।

৯। খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com)-এ প্রকাশিত কোন কিছুর জন্য আইনগত পরামর্শ দেয়া হয়না। খবর সাউথ এশিয়া আইনী সহায়তার কোনো সুযোগ দেয় না।

১০। সব মন্তব্য মন্তব্যকারীর বসবাসরত নিজস্ব দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী হতে হবে।খবর সাউথ এশিয়া ডটকম (khabarsouthasia.com) কোন মন্তব্যের ক্ষেত্রে সম্পাদনা, পরীক্ষণ অথবা দায়িত্ব নিবে না। এটি এর মন্তব্যের নীতিমালার বিরুদ্ধে যেতেও পারে আবার নাও যেতে পারে। পাঠক তাদের মন্তব্যে বিষয়বস্তুর জন্য একান্তভাবেই নিজে দায়ী থাকবে এবং মন্তব্যগুলি যেন আইনসম্মত ও উল্লেখিত নির্দেশনা অনুযায়ী হয় এ ব্যাপারে তাদের খেয়াল রাখার ব্যপারটি খুবই প্রত্যাশিত।

১১। যে সমস্ত মন্তব্যে অন্য কোন লিঙ্ক ব্যবহার করা হবে এবং তা অনুচ্ছেদ ৬ ও ১০ এ উল্লেখিত নীতিমালা অনুসরণ করা হবেনা, সেগুলি প্রকাশ করা হবেনা।

১২। মতামত আদান-প্রদানের লক্ষ্যকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সম-সাময়িক বিষয়ের উপর মার্জিত স্বাধীনভাবে সব পাঠকদের জন্য দৃষ্টি গ্রাহ্য মুক্ত আলোচনা করার উদ্দেশ্যে, এবং যে সব পাঠক অবাঞ্চিত সরাসরি জবাব সহজে গ্রহণ করতে পারেনা তাদের এড়ানোর জন্য, মন্তব্যের মূল পাতায় ব্যক্তিগত ইমেইল ঠিকানা অথবা ফোন নম্বর সম্বলিত মন্তব্যের ক্ষেত্রে তা প্রকাশের আগে এইসব যোগাযোগের তথ্য বাদ দেয়া হবে।

১৩। খবর সাউথ এশিয়ার আলোচনা মঞ্চকে আপনারা হয়তো আপনাদের ব্যবসায়িক পরিচিতি অথবা ব্যবসায়িক কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবেননা।

ভোট

বিশিষ্ট আলেম মাওলানা ওয়াহিদউদ্দীন খানের মতে, “ইসলামে চরমপন্থা অনুমোদনযোগ্য নয়”৷ আপনার মতে, মুসলমান আলেমরা কি বিশ্বাসীদেরকে ইসলামি চিন্তা-ধারনার সত্যিকারের প্রকৃতি সম্পর্কে শিক্ষিত করে তোলার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা নিয়েছেন?

ফলাফল দেখুন

ছবির মেলা

এখানে, শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রী রিশাদ বাথিউদিন (মাঝে) এবং ঐতিহ্যবাহী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন মন্ত্রী ডগলাস দেভেন্দ্র (ডানে) ১৮ই জানুয়ারি, ২০১৩ সালের জাফনা আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন, যার উদ্দেশ্য হল, অতীতের এই যুদ্ধ ক্ষেত্র এলাকার অর্থনীতির পুনর্জন্মে আরো বেশি বেশি শক্তি দেয়া।[ছবিঃ নিলুপুল পেরেরা/খবর]

নতুন অবকাঠামো প্রকল্প শ্রীলংকার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছে

২০০৯ সালের গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, শ্রীলংকা এবং অন্যান্য রাষ্ট্র দেশের অর্থনীতি এবং অবকাঠামো মেরামত করার জন্য প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগ করছে। ২০১১ এবং ২০১২ সালে, শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।